স্থানীয় উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এই অগ্রাধিকারের লক্ষ্য। ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও উদ্যোক্তাদের বিকাশে সহায়তা, চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং তরুণ ও কর্মপ্রত্যাশীদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, মানবিক ও আধুনিক ঢাকা উত্তরের জন্য ছয়টি প্রধান ক্ষেত্র।
স্থানীয় উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এই অগ্রাধিকারের লক্ষ্য। ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও উদ্যোক্তাদের বিকাশে সহায়তা, চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং তরুণ ও কর্মপ্রত্যাশীদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ ও মান বাড়ানোর পাশাপাশি কারিগরি ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের পথ তৈরি করা হবে। প্রশিক্ষণ এবং সহায়তার মাধ্যমে তরুণদের প্রতিভা বিকাশ ও নিজেদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুযোগ বাড়ানো এই অগ্রাধিকারের অংশ।
নাগরিকদের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করা এবং ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এই অগ্রাধিকারের লক্ষ্য। যাঁদের প্রয়োজন, তাঁদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।
নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়িয়ে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে। মানুষ যাতে সহজে মতামত ও অভিযোগ জানাতে পারেন এবং অধিকারভিত্তিক সেবা পান, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং সবুজায়ন ও উন্মুক্ত পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হবে। জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় সহনশীল নগর পরিকল্পনাও এই অগ্রাধিকারের অংশ।
ডিজিটাল নাগরিক সেবা সহজ করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এই অগ্রাধিকারের লক্ষ্য। স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সাহায্যে ব্যবহারিক সমাধান তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।